• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

বিরামপরের কপি চাষে চাষীদের সাফল্য

Birampurএকলাছুর রহমান, বিরামপুর: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার সবজি চাষিরা  ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। এ অঞ্চলের উৎপাদিত ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারে বড় ও খেতে সুস্বাদু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর চাহিদা ব্যাপক।
সূত্র মতে, দুই দশক আগেও এ এলাকার কৃষকদের অভাব-অনটনই ছিল নিত্য সঙ্গী। পরবর্তীতে ফুলকপি ও বাঁধাকপি সহ মৌশুমি সবজি চাষের ফলে অনেকেরই ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। এখন তাদের অনেকের বাড়িতে টিনের ঘর কিংবা দালান-কোঠা শোভা পাচ্ছে। সবজি চাষীদের অনুসরণ করে গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক ও প্রান্তিক চাষীরাও এখন ফুলকপি, বাঁধাকপি ছাড়াও বিভিন্ন সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার প্রস্তমপুর, শারাঙ্গপুর, হাবিবপুর সহ আশেপাশের গ্রামের কৃষকরা ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। এবছর হরতাল অবরোধ এর কারনে কমদামে সবজি বিক্রি করে কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীণ হলেও বর্তমানে তারা একটি ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকা এবং একটি বাঁধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা দামে বিক্রি ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে কিছুটা লাভের মুখ দেখছেন ।
উপজেলার ঘাটপড়ের সবজি চাষী কান্ত কুমার কুণ্ডর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিরামপুরের কপি দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাহিদা বেড়েই চলেছে। যার ফলে এলাকায় শীতকালীন সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে । এ দিকে কপি চাষের খরচ সম্পর্কে তিনি জানান, ভাদ্র মাসের শেষ দিকে ফুল ও বাঁধাকপির বীজতলা তৈরি করা হয়। ২০ থেকে ২৫ দিন পর জমিতে চারা রোপন করা হয়। এক বিঘা(৩৩ শতাংশ) জমিতে ৪ হাজার চারা রোপন করা হয়। এতে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা কপি বিক্রি করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ